মোঃ শাকিলুজ্জামান
মোঃ শাকিলুজ্জামান
আপডেট : বৃহস্পতিবার ২৫শে জুন ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশেনোগ্রাফি বিভাগে আজ বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ২:০০ টায় ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ ইন অ্যান্টার্কটিকা অ্যান্ড দ্য সাউদার্ন ওশান’ (অ্যান্টার্কটিকা এবং দক্ষিণ মহাসাগরের জলবায়ু পরিবর্তন) শীর্ষক এক বিশেষ যৌথ চিত্র প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মাদ্রিদ প্রোটোকলের ৩৫তম বার্ষিকী উদযাপন এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত সাংস্কৃতিক সমঝোতা স্মারকের (MoU) অধীনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশেনোগ্রাফি বিভাগ এবং ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী।
উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, এই প্রদর্শনীটি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে গভীর সম্পর্কের একটি অনন্য মাইলফলক। দুই দেশের জলবায়ুর বাস্তবতা এবং আবহাওয়ার ধরণ আমাদের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে ২২ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন, যা দুই দেশের সমাজের মধ্যে একটি জীবন্ত সেতু হিসেবে কাজ করছে। আগামী দিনগুলোতে এই শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরালো হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অ্যান্টার্কটিকার জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর প্রদর্শিত এই শিল্পকর্মগুলো আমাদের বৈশ্বিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমরা সংস্কৃতির পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অস্ট্রেলিয়ার সাথে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চাই।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার মাননীয় হাইকমিশনার এইচ.ই. সুসান রাইল (H.E. Susan Ryle)। তিনি জলবায়ু বিজ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। উদ্বোধনী পর্ব শেষে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ প্রদর্শনীর বিভিন্ন চিত্রকর্ম ঘুরে দেখেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক এবং কূটনৈতিক মিশন-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।