আনন্দবাংলা
আনন্দবাংলা
আপডেট : বুধবার ২৪শে জুন ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ
ক্যাপশন নেই
স্পোর্টস ডেস্ক: সমালোচকদের সব কথার জবাব আবারও মাঠেই দিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তার রেকর্ড গড়ার রাতে উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে পর্তুগাল। এই জয়ে 'কে' গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করার পাশাপাশি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের একদম কাছাকাছি পৌঁছে গেছে রবার্তো মার্তিনেজের দল।
হিউস্টনে মঙ্গলবার রাতে ম্যাচের শুরু থেকেই উজবেক রক্ষণভাগকে চাপে রাখে সেলেকাওরা। খেলার মাত্র ৬ষ্ঠ মিনিটে নুনো মেন্দেসের পাস থেকে গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে নেন অধিনায়ক রোনালদো। আর এই গোলের মাধ্যমেই ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েন তিনি।
রেকর্ড এখানেই শেষ নয়; ৪১ বছর ৪ মাস ১৮ দিন বয়সে গোল করে তিনি এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বয়স্ক গোলদাতা। এই তালিকায় তার ওপরে আছেন কেবল ক্যামেরুনের রজার মিলা, যিনি ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ৪২ বছর বয়সে গোল করেছিলেন। ৩৯ মিনিটে দলের আক্রমণভাগ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি পান সিআরসেভেন। তবে পুরো ম্যাচে বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়ায় হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হন এই মহাতারকা।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে চমৎকার এক ফ্রি-কিক গোলে ব্যবধান ২-০ করেন নুনো মেন্দেস। ম্যাচের ২৯ মিনিটে উজবেকিস্তান একবার বল জালে জড়ালেও ভিএআরের (VAR) কল্যাণে তা বাতিল হয়; রেফারি জানান গোলটির আগে জোয়াও কানসেলোকে ফাউল করা হয়েছিল। প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় পর্তুগাল।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে সেলেকাওরা। ৬০ মিনিটে কর্নারের জটলা থেকে উজবেক ডিফেন্ডার আবদুকোদির খুসানোভ নিজেদের জালে বল জড়ালে আত্মঘাতী গোলে স্কোরলাইন হয় ৪-০। ম্যাচের শেষদিকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে ব্যবধান আরও বাড়ান রাফায়েল লিয়াও। ৮৮ মিনিটে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে দলের পঞ্চম গোলটি করেন তিনি।
প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর সাথে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছিল পর্তুগিজরা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই এই বিধ্বংসী জয়ে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে উঠে এলো সাবেক ইউরো চ্যাম্পিয়নরা।