বঙ্গোপসাগরে জ্বালানি সম্পদ রয়েছে—এটি নিশ্চিত বলে জানিয়েছে সরকার, এবং উত্তোলনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে জ্বালানি সম্পদ রয়েছে—এটি নিশ্চিত বলে জানিয়েছে সরকার, এবং উত্তোলনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে।

ক্যাপশন নেই

ঢাকা, সোমবার — বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় জ্বালানির সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বিগত সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে দেশবাসী সেই সম্পদের সুফল পুরোপুরি পায়নি বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী Sheikh Robiul Alam।

রাজধানী Dhaka-এ অনুষ্ঠিত বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলে জ্বালানির সম্ভাবনা “নিশ্চিত” হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও সিদ্ধান্তের অভাবে তা কাজে লাগানো যায়নি। তাঁর ভাষায়, আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে অর্জিত বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চল অন্যান্য প্রতিযোগী দেশ মেনে নিলেও, সেখানে অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার (বার্মা) ওই অঞ্চলে অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ ও উত্তোলন করেছে, কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সুযোগ পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি।

নৌ পরিবহনমন্ত্রী জানান, দেশের প্রায় ৯২ শতাংশ বাণিজ্য চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক। নৌ নিরাপত্তা ও নেভিগেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও সক্ষমতা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে এবং তা আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথ একটি “প্রাকৃতিক নিয়ামত”, যা যথাযথভাবে সচল ও নিরাপদভাবে ব্যবহার করা গেলে দেশের পরিবহনব্যবস্থায় বড় ধরনের সাশ্রয় ও উন্নতি সম্ভব।

 

অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে তিনি বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই দিবসের মাধ্যমে দেশের সামুদ্রিক ও নৌসম্পদ চিহ্নিত করে সর্বোত্তম ব্যবহারের শিক্ষা নেওয়া উচিত। এতে সম্ভাবনাগুলো বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।